Skip to main content

Posts

Showing posts from August, 2021

পানির অভাবে কী করবেন

পানির অভাবে কী করবেন   শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না গেলে পানিশূন্যতা দেখা যায়। অত্যাধিক ঘাম, বমি বা ডায়রিয়ার মতো রোগ হলে অনেক সময় শরীর থেকে বেশি পরিমাণে পানি বেরিয়ে যায়। তখন শরীর নানাভাবে পানিশূন্যতার ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরে পানির ঘাটতি হলে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়- মুখে দুর্গন্ধ : মুখের লালায় অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল গুণ থাকে। কিন্তু পানি কম খেলে বেশি লালা তৈরি হয় না এবং মুখে ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যায়। তা থেকেই মুখে দুর্গন্ধ তৈরি হয়। শুষ্ক ত্বক : ডিহাইড্রেশনের সমস্যা যখন অনেক বেড়ে যায়, তখন ত্বক শুকিয়ে, কুঁচকে যায়। হাত-পায়ে টান ধরা : খুব গরমে ব্যায়াম করলে শরীরও গরম হয়ে যায়। তখন শরীর ঠান্ডা হতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি প্রয়োজন হয়। পানিশূন্যতা হলে মাংসপেশিগুলো ঠিক মতো পানি পায় না। তখন হাত-পায়ে টান লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে মনে রাখবেন, পানি কম খেলে এই সমস্যা তৈরি হতে পারে শীতের মধ্যেও। মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা : শরীরে পানি কম গেলে লিভার ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। লিভার পানির সাহায্যে গ্লাইকোজেন তৈরি করে যা শরীরে শক্তি জোগায়। কিন্তু সেটা ঠিক মতো না হলে শরীরের আরও বেশি খাবারের প্রয়োজন হয়।...

রাজ্যবিহীন রাজার পাহাড়

নাম শুনলেই নিশ্চয়ই কল্পনায় ভেসে ওঠে কোনো রাজা সিংহাসন পেতে বসে আছে পাহাড় চূড়ায়! যদিও এখন সেখানে গেলে রাজার দেখা মিলবে না; তবে প্রাচীনকালে এই পাহাড়ের গায়ে এক স্বাধীন রাজ্য ছিল। যার রাজা ছিলেন অত্যন্ত প্রতাপশালী। পরে তার নামানুসারেই এ পাহাড়ের নাম হয় রাজার পাহাড়। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তবর্তী প্রান্তিক শেরপুর জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য ছোট বড় টিলা, শাল গজারীর বন, পাহাড়ের নিচে বিস্তৃত সবুজ প্রান্তর। সেখানেই আছে সুবিশাল ও রোমাঞ্চকর রাজা পাহাড়। পর্যটকদের কাছে শেরপুরে অন্যতম আকর্ষণ হলো রাজার পাহাড়। শেরপুর জেলার শ্রীবরদী পৌর শহর থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে কর্নঝোরা বাজার সংলগ্ন এলাকায় রাজার পাহাড়ের অবস্থান। স্থানীয়দের কাছে এটি জনপ্রিয় বিনোদন স্পট। বছরে প্রায় সব সময়ই শত শত মানুষ রাজার পাহাড়ের নির্মল পরিবেশে বেড়াতে যান। গারো পাহাড়ে যতগুলো পাহাড় আছে তার মধ্যে রাজার পাহাড়ের উচ্চতা সবচেয়ে বেশি। এ পাহাড়ের বৈশিষ্ট সিলেট বা বান্দরবানের পাহাড়ের মতো না হলেও, সবুজের ঐশ্বর্যে সে কারও চেয়ে কোন অংশে কম নয়। রাজার পাহাড়ের উৎপত্তি নিয়ে কিংবদন্তি অনেক ঘটনা আছে। স্থানীয়দের মতে, অতীতে পাগলা...

রক্তদহ বিলের সৌন্দর্য

 রক্তদহ বিলের নাম অনেকেই হয়তো জেনে থাকবেন। নির্মল প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে রক্তদহ বিলটি সবারই নজর কাড়ে। এই বিলের নাম শুনলেই হয়তো গায়ে কাঁটা দেয়! আবার অনেকেই ভাবতে পারেন, আসলেই কি বিলের পানির রং লাল না-কি! তাহলে এর নাম কেন রক্তদহ বিল? আসলে এই বিলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পলাশী পরবর্তী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের এক রক্তাক্ত ইতিহাস। ১৭৮৬ সালে ফকির মজনু শাহের সঙ্গে এখানে ইংরেজদের যুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধে সৈনিকদের রক্তে লাল হয়ে উঠেছিল বিলের পানি। এরপর থেকেই বিলটির নামকরণ করা হয় রক্তদহ। বগুড়া শহর থেকে এই বিলের অবস্থান ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে। রাণীনগরের পারইল এবং আত্রাই উপেজলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এই বিলের অবস্থান। রক্তদহ বিল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি অন্যতম বৃহৎ বিল। জানা যায়, ১৩টি খাল ও অন্যান্য জলপথ রক্তদহ বিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। মূল বিলটি ১০৫ হেক্টর হলেও প্রায় ৫০ কিলোমিটার এর ব্যাপ্তি। রক্তদহ বিলের আশেপাশে আছে প্রচুর গাছপালা ও সবুজ অরণ্য। এমনকি পথের দু’ধারে দেখতে পাবেন সারি সারি খেজুর, তালসহ অজস্র গাছগাছালি। বর্ষা মৌসুমে রক্তদহ বিলের স...

অনিন্দ্য সুন্দর রাতারগুল

  দু'পাশে করচা গাছের সারি, মাথার ওপরে শতবর্ষী অর্জুনের ডাল-পালা, চোখ যতদূর যায় গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে বন। চারদিক শান্ত, সম্পূর্ণ কোলাহলমুক্ত। মাঝে মধ্যে দূর থেকে শোনা যাচ্ছে কিছু অজানা পাখির ডাক। থমথমে এক পরিবেশে নৌকার বৈঠায় ওঠা পানির কলকল ধ্বনিও যেন সুমধুর মনে হয়। টলটলে জলে অর্ধেক ডুবে থাকা গাছের পর গাছ নিয়ে বিশাল বন। ডালে ডালে নানা জাতের পাখির কলতান; জলে মাছের সঙ্গে সাপ-ব্যাঙের বসবাস। সব মিলিয়ে অনিন্দ্যসুন্দর জলাবন রাতারগুল 'সিলেটের সুন্দরবন' নামে পরিচিতি পেয়েছে আগেই। সারাবছর পর্যটকদের আনাগোনা থাকলেও বর্ষায় পানি বাড়ায় প্রকৃতিপ্রেমীদের আকৃষ্ট করে বেশি। ধীরে ধীরে বনের যত গহিনে যেতে লাগল নৌকা, যত গহিনে যাওয়া যায়, ততই জলে ডুবে থাকা মহীরুহের আচ্ছাদনে হারিয়ে যাওয়া। এ যেন অদ্ভুত এক জলের রাজ্য। ঘন হয়ে আসা বৃক্ষের কারণে কেমন অন্ধকারাচ্ছন্ন সবুজাভ আভা দেখা যায় পুরো জলাবনে। কোনো বৃক্ষ হাঁটু পানিতে ভেসে আছে আবার কোনো বৃক্ষ অর্ধেক জলে ডুবে গেছে। যতই এই জলেশ্বরীর গহিনে যাওয়া যাবে ততই গাছের ঘনত্ব বাড়তে থাকবে। সূর্যের আলোও অনেক জায়গায় এই বৃক্ষ ভেদ করে আসতে পারে না। বর্ষার স...

জৈন্তাপুরে ঝর্ণার সন্ধান

প্রকৃতি কন্যা সিলেট। পাহাড়, নদী, টিলা, গ্যাস আর সবুজ চা-বাগান যেন প্রকৃতির মহিমায় সাজিয়ে রেখেছে জেলাটিকে। সিলেটের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে জাফলং, জৈন্তাপুর ডিভির হাওড়ের শাপলা বিল, লালাখাল, মাধবকুণ্ড, রাতারগুল, শ্রীমঙ্গল, লাউয়াছড়া এবং বিছনাকান্দি অন্যতম। এসব কিছুর ঊর্ধ্বে পর্যটন নগরী সিলেটের জৈন্তাপুরে সন্ধান মিলেছে মায়াবি ঝর্নার পর আরেকটি নয়নাভিরাম ঝর্নার; স্থানীয়রা যার নাম দিয়েছে ‘আদুরি’। পান-পানি-নারী খ্যাত জৈন্তাপুর উপজেলা প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। গ্যাস, কয়লা, পাথর, বালি, ইউরেনিয়াম এবং প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে উপজেলাজুড়ে। ঝর্নাটি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার শ্রীপুরের খরমপুর নামক স্থানে অবস্থিত। সিলেট জাফলং রোড থেকে শ্রীপুর হয়ে হেঁটে মাত্র ৫ মিনিট অতিক্রম করলেই দেখা মিলবে আদুরির। অত্যন্ত প্রাকৃতিক নিরিবিলি পরিবেশে জনমানবশূন্য এলাকায় ১০-১৫ ফুট উপর থেকে অবিরাম নেমে আসছে স্বচ্ছ পানির নহর।   Source: বঙ্গবাজ

দুর্গ নগরীতে একদিন

  উয়ারী ও বটেশ্বর দুটি আলাদা গ্রাম। শহরের নাগরিক ব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে ইতিহাসে একটু ডুব দিতে ঘুরে আসতে পারেন গ্রাম দুটি থেকে। ইতিহাসের পাতায় যে ভিন্ন এক গুরুত্ব দিয়ে গ্রাম দুটির নাম লেখা রয়েছে। নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় উয়ারী এবং বটেশ্বর পাশাপাশি দুটো গ্রাম। উয়ারী বটেশ্বর যেতে পথের দু'ধারে অসাধারণ সব প্রাকৃতিক নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে দেখতে আপনার ভ্রমণের সময় দ্রুত চলে যাবে। ঘিরে রাখা প্রত্নতত্ত্ব স্থানে যাওয়ার আগেই চোখে পড়বে নানা খনন কার্যক্রম। প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা, এটি এক সময় মাটির নিচের দুর্গ-নগরী ছিল। বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুসারে এগুলো প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের পুরোনো নিদর্শন। এই গ্রাম দুটোতে প্রায়ই বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান পাওয়া যেত। ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে উয়ারী গ্রামে শ্রমিকরা মাটি খননকালে একটি পাত্রে সঞ্চিত মুদ্রা ভান্ডার পায়। স্থানীয় স্কুলশিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ পাঠান সেখান থেকে ২০-৩০টি মুদ্রা সংগ্রহ করেন। এগুলো ছিল বঙ্গভারতের প্রাচীনতম রৌপ্য মুদ্রা। এই ছিল উয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহের প্রথম চেষ্টা। অনাবিস্কৃত এই উয়ারী-বটেশ্বরে প্রত্নতাত...

নীল জলে ছুটে চলা

স্বর্গীয় সৌন্দর্য আর মনোরোম দৃশ্যে ভরপুর এক স্থান হলো নিলাদ্রি লেক। সেখানকার ছবিগুলো দেখলেই আপনি ঠাহর করতে পারবেন কল্পনার চেয়েও কতটা সুন্দর এই স্থানটি। দিগন্ত বিস্তৃত সবুজের সমারোহ। মাঝখানে নীল রঙের জল। একপাশে মেঘালয়ের পাহাড়, তার চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পাথর। প্রকৃতির এক অপূর্ব নিদর্শন। দেশের মধ্যেই যেন টুকরো কাশ্মীর। পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক স্থান এটি। এই লেকের নাম শহীদ সিরাজ হ্রদ বা শহীদ সিরাজ লেক এমনকি নিলাদ্রি লেকও বলা হয়ে থাকে। ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষা বাংলাদেশের সিরাগঞ্জের উপজেলার তাহিরপুরে অবস্থিত এই স্থানটি। জানা যায়, সীমান্তবর্তী ট্যাকেরঘাট চুনাপাথর খনিজ প্রকল্পের পরিত্যক্ত এই খোয়ারিটি ১৯৪০ সালে চুনাপাথর সংগ্রহ শুরু করে। এখানে চুনাপাথর সংগ্রহ করে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় নির্মিত আসাম বাংলা সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটানো হতো। ১৯৭১ সালে স্নাতকে পড়াকালীন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ঘর ছাড়েন সিরাজ। আসামের ইকো ওয়ান সেন্টারে প্রশিক্ষণ শেষে তিনি ৫ নম্বর সেক্টরের বড়ছড়া সাব-সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধে ...

গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় সমাধান

  প্রতিদিনই কম বেশি বাইরের খাবার কিংবা ভাজাপোড়া জাতীয় কিছু খাবার খাওয়া যায়। আর এ কারণেই অনেকেই এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভোগেন। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে এ সমস্যা বাড়তে থাকে। তবে কিছু এমন খাবার আছে যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমায় আর পেটের পিএইচ লেভেল ঠিক রাখে। এছাড়া গ্যাস্ট্রিক কমাতে কখনোই পেট খালি রাখা যাবে না। ঠাণ্ডা দুধ ঠাণ্ডা দুধ অনেক ‍উপকারী গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসায়। যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স অর্থাৎ দুগ্ধজাত খাবারে পেটে সমস্যা হয় তারা বাদে সবাই ঠাণ্ডা দুধ খেতে পারেন এসিডিটি কমাতে। জ্বালাপোড়ার সমস্যা থেকে খুব দ্রুত মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ। জোয়ান এসিডিটি কমাতে জোয়ান অনেক কার্যকরী। জোয়ানে এনজাইম ও বায়োক্যামিকেল রয়েছে যা এসিডিটির সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি দেয়। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার অ্যাপেল সিডার ভিনিগার পেটের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। হজমের সমস্যা দূর করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। এক গ্লাস পানির সাথে এক থেকে দুই চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে খেয়ে নিন প্রতিদিন। তুলসি তুলসিকে বলা হয় সকল রোগের সমাধান দিতে পারে এমন ভেষজ উদ্ভিদ। গ্যাস্ট্রিকের কারণে যে জ্বালাপোড়া হয় তা...

লেবু খেলে রোগবালাই কমে

  প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে লেবুর তুলনা নেই। এক গ্লাস লেবু পানি প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণে সক্ষম। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দেহকে সুস্থ ও সবল রাখতে লেবুর জুড়ি নেই। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড পাওয়া যায়। এছাড়া এটি ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্যাকটিন এর ভালো উৎস। গ্রীষ্মকালে শরীরের আদ্রর্তা বজায় রেখে শরীরকে চাঙ্গা করে লেবু পানি। নিয়মিত লেবু পানি পানে কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা কমে, মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। লেবু পানি অন্ত্রের মধ্যে খাদ্য ও মল চলাচল সহজ করে। কিডনির পাথর অপসারণে ভূমিকা রাখে লেবু পানি। কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ পানিশূন্যতা। লেবু সেই পানিশূন্যতা দূর করে। কিছু পাথর জন্ম নেয় ক্যালসিয়াম লবণ থেকে। লেবুতে থাকা অ্যাসিড ক্যালসিয়াম লবণের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়। এর ফলে পাথর ক্ষয় হয়। লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড ক্যালসিয়াম অনুগুলোকে একসাথে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর ফলে অনেক রোগ সহজে আক্রমণ করতে পারে না। দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সক্রিয় ক...

লৌহের অভাব মিটাবে যেসব খাদ্য

  লৌহ-শরীরের একটি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। যা আমিষ-জাতীয় খাবার ছাড়াও উদ্ভিজ্জ খাবার থেকেও পাওয়া সম্ভব। দেহে লৌহের অভাব থেকে রক্তশূন্যতা, হৃদরোগসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। খাদ্য ও পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে লৌহের চাহিদা পূরণে কার্যকর কয়েকটি সবজির নাম সম্পর্কে জানানো হল। ডাল: প্রতিকাপ ডাল ৬.৬ মি.গ্রা. লৌগ সরবারহ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ডাল খাওয়া দৈনিক লৌহের চাহিদার ৩৭ শতাংশ পূরণ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এটা প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেইটের চাহিদাও মিটায়। সয়াবিন: এক কাপ সয়াবিন ৮.৮ মি.গ্রা. লৌহ ও দৈনিক চাহিদার ৪৯ শতাংশ পূরণ করতে সাহায্য করে। এটা প্রোটিন, ম্যাগ্নেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসগরাসের ভালো উৎস। শাক সবজি: সবুজ শাক সবজি যেমন- পালংশাক, কপি, মেথি ও লেটুস ২.৫ থেকে ৬ মি.গ্রা. লৌহ সরবারহ করে যা দৈনিক চাহিদার ১৪ থেকে ৩৬ শতাংশ পূরণ করে। এসব সবুজ শাক সবজি পটাশিয়াম ও সোডিয়াম সমৃদ্ধ যা শরীরের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ পালন করে। আলু: বিশেষজ্ঞদের মতে, খোসাসহ আলুতে ৩.২ মি.গ্রা. লৌহ থাকে এবং খোসাসহ আলু রান্না করা হলে তা খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি পু...

সবজি পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে

সুরক্ষার তাগিদে নিয়মিত সাবান ও স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রুটিন হয়ে উঠেছে। ঘর পরিষ্কারের সময়ও নানাবিধ জীবাণুনাশক ব্যবহার করছি আমরা। কিন্তু বাজার থেকে যে সবজি বা ফল কেনা হয় সেগুলো জীবাণুমুক্ত করার উপায় সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। এমনকি সুপারশপ বা ফুটপাত- সব জায়গায় জীবাণুর ছড়াছড়ি। বিশেষ করে যেসব স্থানে বাজার বসে সেসব স্থানে প্রতিনিয়ত ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হচ্ছে। তাই ফল ও সবজি ঘরে এনে পরিষ্কার করা জরুরি। কিছু উপায় রয়েছে যেগুলো অবলম্বন করলে ফল ও সবজি সহজেই জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব। জেনে নিন সেসব উপায়- কেনার সঙ্গে সঙ্গেই ফ্রিজে রাখবেন না জীবাণু দূর করার জন্য প্যাকেটে বা ব্যাগে থাকা ফল ও সবজি পৃথক স্থানে রেখে দিন। কোনোভাবে ফ্রিজে রাখবেন না। কারণ ফ্রিজে অন্য খাবারের মধ্যেও বাইরে থেকে আসা জীবাণু চলে যেতে পারে। ফলে করোনাসহ অন্য যেকোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকেই। বড় গামলা বা বাটিতে রাখুন আধা ঘণ্টা এভাবে বাইরে রাখার পর সেগুলো একটি বড় গামলা বা বাটিতে রাখুন। গরম পানিতে এক ফোঁটা ৫০ পিপিএম ক্লোরিন মিশিয়ে তাতে কয়েক মিনিট ডুবিয়ে রাখতে পারেন। বিশুদ্ধ পানি দিয়ে পরি...